স্ট্রোক একটি জরুরি স্বাস্থ্যগত অবস্থা। স্ট্রোকের দ্রুত চিকিৎসা হওয়া অতি জরুরি। কারণ স্ট্রোকের দ্রুত চিকিৎসা করা হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং স্ট্রোক সংক্রান্ত অন্যান্য জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

স্ট্রোক কি

মস্তিষ্কের কোন অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হলে বা বন্ধ হলে মস্তিষ্কের কলাগুলো অক্সিজেন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান পায় না ফলে স্ট্রোক হয়। স্ট্রোকের কিছুক্ষণের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষগুলো মরতে শুরু করে।

স্ট্রোক হয়েছে কি করে বুঝবেন

স্ট্রোক হলে সাধারণত: নিচের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা যায় :

কখন ডাক্তার দেখাবেন

উপরোক্ত লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তার দেখাতে হবে। এছাড়া নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে জরুরি অবস্থা গ্রহণ করতে হবে :

কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে

কি ধরণের চিকিৎসা আছে

স্ট্রোকের ধরণ, মাত্রা এবং রুগীর বয়সের উপর এর চিকিৎসা নির্ভর করে।

ইসেকমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke) এর ক্ষেত্রে

স্ট্রোক কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়

স্ট্রোক প্রতিরোধের সবচেয়ে ভাল উপায় হলো স্ট্রোকের ঝুঁকি সর্ম্পকে জানা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পদ্ধতি মেনে চলা। এই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পদ্ধতি হলো:

স্ট্রোক হওয়ার কারণ কি ?

স্ট্রোক হওয়ার প্রধান কারণ হলো মস্তিষ্কের রক্তের সরবরাহে সমস্যা। যেমন :

স্ট্রোক কয় ধরণের হয়ে থাকে?

স্ট্রোক প্রধানত দুই ধরনের হয়। যেমন :

  1. ইসেকমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke)
  2. হেমোরেজিক স্ট্রোক (Hemorrhagic Stroke)

এছাড়া আরো একধরণের স্ট্রোক রয়েছে যাকে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট ইসেকমিক আ্যাটাক ( Transient Ischemic Attack)

কাদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বেশি ?

যাদের স্ট্রোক হওয়ার  সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তারা হলেন :

স্ট্রোকের ফলে কি ধরণের জটিলতা দেখা দেয় ?

স্ট্রোকের ফলে নিচের জটিলতাগুলো দেখা দেয় :

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *