অটিজম কেন হয়?

মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধির বা পরিপক্বতার হেরফেরের কারণেই একটি শিশু অটিজমে আক্রান্ত হয়। কিন্তু কেন এই হেরফের, তা অজানা। তবে গবেষকরা মনে করেন নিচের কারণগুলো অটিজমের জন্য প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

১. জিনগত সমস্যা
২. রোগজীবাণুর সংক্রমণ
৩. শরীরের বিপাক প্রক্রিয়ায় গোলমাল
৪. পরিবেশগত সমস্যা

শিশুটি অটিজমে আক্রান্ত কিনা তা জানার উপায় কি?

যেহেতু এটি একটি সমষ্টিগত আচরণের সমস্যা, তাই অনেক অটিস্টিক শিশুর সব লক্ষণ থাকে না। তবে ‘অটিজম স্পেকট্রাম অব ডিজঅর্ডার’ বা অটিজমের লক্ষণ গুলোকে তিনটি প্রধান ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যেতে পারে:

১. সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনে অপারগতা

২. যোগাযোগের সমস্যা

৩. আচরণের অস্বাভাবিকতা

কোন বয়সে ও কিভাবে অটিজম প্রথম সনাক্ত করা সম্ভব?

যত দ্রুত অটিজম রোগটি সনাক্ত করা যায়, শিশুর জন্য ততই মঙ্গল। সাধারণত ৩ বছর বয়সের পর শিশুটি অটিজমে আক্রান্ত কিনা তা দ্ব্যর্থহীনভাবে সনাক্ত করা সম্ভব হয়। তবে মা-বাবারা সচেতন থাকলে ও বাচ্চার আচরণের দিকে ভাল ভাবে লক্ষ্য রাখলে ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই সমস্যাটি আঁচ করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যগুলোর মাধ্যমে অটিজম সনাক্তকরণ সম্ভব তা হল:

অটিস্টিক শিশুদের বিভিন্ন পর্যায়গুলো কি কি?

সাধারণত অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের ৪টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। বয়সের সাথে নয় বরং প্রতিটি শিশুর সামর্থের উপর তার পর্যায় নির্ভর করে।

প্রথম পর্যায় (আত্মকেন্দ্রিক): এই পর্যায়ে শিশুরা আত্মকেন্দ্রিক থেকে এবং আপন মনে একাকী খেলতে পছন্দ করে। এরা সাধারণত কোন আদেশ-নিষেধ অথবা নির্দেশ বুঝতে পারে না ও পালন করে না।

দ্বিতীয় পর্যায় (অনুরোধকারী): এই পর্যায়ের শিশুরা শারীরিক অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে খুব কাছের লোকদের সাথে অল্প সময়ের জন্য যোগাযোগ স্থাপন করে এবং তাদের চাহিদা পূরণ করার জন্য অনুরোধ করে।

তৃতীয় পর্যায় (যোগাযোগ স্থাপনকারী ): এই পর্যায়ের শিশুরা কিছু প্রচলিত শব্দ বুঝতে পারে এবং অতি পরিচিত মানুষের সাথে অল্প সময়ের জন্য যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। তারা ছোটখাট আদেশ-নির্দেশ পালন করতে পারে।

চতুর্থ পর্যায় (সহযোগী): এই পর্যায়ের শিশুরা পরিচিত সমবয়সী শিশুদের সাথে অল্প সময়ের জন্য খেলা করে। ভাষায় দক্ষতা একটু ভালো এবং অন্যদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

অটিস্টিক শিশুরা কিভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে?

অটিস্টিক শিশুদের যোগাযোগে ভিন্নতা থাকে। যেহেতু তারা প্রচলিত সামাজিকতার বিষয়টি অনুধাবন করতে পারে না, তাই তারা নিজস্ব পদ্ধতিতে অনুভূতিগুলো প্রকাশ করে। অনেক অটিস্টিক শিশু সারা জীবনেও কথা বলে না। কিছু শিশু প্রথম দিকে মুখ দিয়ে কোনো শব্দ করে (উহ্, আহ্, বাহ্), কিন্তু হঠাৎ তা বন্ধও করে দেয়। কোন কোন শিশু আবার দেরিতে কথা বলে। কেউবা আবার অগোছালো ও অর্থহীন কথা বলে। কোন কোন শিশু একই কথা বা শব্দ বারবার বলতে থাকে। আসলে সে তার অনুভূতি বোঝাতে চায়, কিন্তু পারে না।

তাই দেখা যায় অটিস্টিক শিশুরা মাথা নেড়ে, হাত নেড়ে, কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গ ভঙ্গিমায় তার মনের ভাব প্রকাশ করে। যেমন হাঁ-বোধক, না-বোধক অনুভূতি মাথা নেড়ে বোঝায় অথবা খিদে পেলে প্লেটের কাছে, ফ্রিজের কাছে, চুলার কাছে অন্যকে টেনে নিয়ে যায়। পেটে হাত দিয়ে বসে থাকে। বাইরে যাওয়ার জন্য দরজার কাছে টেনে নিয়ে যায়, কোনো কিছু চাওয়ার থাকলে চিৎকার করে, রেগে যায়, মন খারাপ করে।

একটি নিজস্ব রুটিনমাফিক জীবন তারা বেছে নেয়। যেমন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে উঠে, খায়, ছবি আঁকে ইত্যাদি। কিন্তু এই রুটিনের ব্যত্যয় ঘটলে তারা মানতে পারে না। রেগে গিয়ে জিনিসপত্র নষ্ট করে।

অটিস্টিক শিশুটির পরিচর্যা ও চিকিৎসা

অটিজম রয়েছে এমন শিশুদের মধ্যে ১০ থেকে ২০ শতাংশ চার থেকে ছয় বছর বয়সের মধ্যে মোটামুটি সুস্থ হয়ে ওঠে এবং সাধারণ স্কুলে স্বাভাবিক শিশুদের সঙ্গে পড়ালেখা করতে পারে। আরও ১০ থেকে ২০ শতাংশ শিশু স্বাভাবিক শিশুদের সঙ্গে পড়ালেখা করতে পারে না। তারা বাসায় থাকে বা তাদের জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষায়িত স্কুল ও বিশেষ প্রশিক্ষণের। বিশেষায়িত স্কুলে পড়ে, ভাষাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা সমাজে মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থান করে নেয়। কিন্তু বাদবাকি প্রায় ৬০ শতাংশ শিশু যাদের অটিজম আছে, তারা সহায়তা পাওয়ার পরও স্বাধীন বা এককভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পারে না। তাদের জন্য প্রয়োজন হয় দীর্ঘদিন; প্রায় সারা জীবনের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরতা। তা ছাড়া বিশেষ আবাসন, নার্সিং কেয়ারের প্রয়োজন হয় তাদের। ধৈর্য সহকারে অটিস্টিক শিশুটিকে যে সব বিষয়ে প্রশিক্ষন দিতে হবে সেগুলো নিম্নরূপ:

স্বাবলম্বীতা বিকাশঃ বেঁচে থাকার জন্য যে কাজগুলো করা অবশ্যই দরকার সেগুলো প্রশিক্ষণ দিতে হবে যেমনঃ টয়লেট ও ওয়াশ করা, জামা ও জুতা পরিধান করা, দাঁত ব্রাশ করতে পারা, মাথা আচরাতে পারা, নিজে নিজে খেতে পারা ইত্যাদি। খাওয়ার এবং ঘুমের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে খুব বেশি খেয়ে মুটিয়ে না যায় এবং দিনের বেলা ঘুমিয়ে রাতে নিজে এবং অন্য সকলের ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটায়।

সংবেদনশীলতার সমম্বয়ঃ

এই ধরনের শিশুদের সংবেদনশীতা অত্যান্ত প্রখর অথবা অপ্রতুল হওয়াতে তাদের সংবেদনশীলতার সমম্বয় না করা হলে কোন কিছু শিখতে কিংবা মনসংযোগ করতে অনেক বিলম্ব হয়। বর্তমানে এ ধরনের শিশুদের প্রশিক্ষণের জন্য এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে।

ফিজিও এবং অকুপেশনাল প্রশিক্ষণঃ অনেক অটিষ্টিক শিশুর বিভিন্ন মাংসপেশী, চোখ ও হাতের যথাযথ সমম্বয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যথাযথভাবে পরিপক্কতা ও পরিপূর্ণতার ঘাটতি থাকে। যথাযথ ফিজিওথেরাপি এবং অকুপেশনাল থেরাপি প্রয়োগ করলে এসব ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী ফলাফাল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রশিক্ষণের সাথে সাথে এ বিষয়টিকেও গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কথা ও ভাষা বিকাশঃ

অটিষ্টিক শিশুদের কথা ও ভাষা প্রশিক্ষণ অন্যান্যদের চেয়ে বেশ কঠিন কারণ তারা চঞ্চল এবং বেশিক্ষণ মনসংযোগ করতে পারে না। কথা ও ভাষা শিক্ষণের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবেঃ

সামাজিকতা ও আচরণগত বিকাশঃ

অটিষ্টিক শিশুদের প্রয়োজনীয় সামাজিক আচরণ শেখাতে হবে। এক্ষেত্রে যেসব কার্যক্রম করতে হবে তা নিম্নরূপঃ

জরুরী বিষয়গুলো শেখানোর উপায় কি?

প্রথমেই নিশ্চিত হোন আপনার শিশুটি কি কি জিনিস, বিষয়, খাবার, খেলনা ইত্যাদি খুব পছন্দ করে। এগুলো প্রশিক্ষণ সহায়ক শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। প্রশিক্ষণ সহায়ক বিষয়টিকে শিশুর দৃষ্টিসীমার মধ্যে রেখে তাকে আস্বস্ত করতে হবে যে নির্দেশিত কাজটি করলে তার পছন্দের জিনিসটি দেয়া হবে। এভাবে শিক্ষণীয় কাজটি সে নির্ভুল করে একনাগাড়ে ৩-৫ বার করতে পারলে তার চাহিদা পূরণ করতে হবে এবং তাকে পুরস্কৃত করতে হবে। এছাড়া নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবেঃ

এছাড়া মনোযোগ দক্ষতা, অনুকরণ দক্ষতা, ভাষা বোঝা এবং নিজেকে প্রকাশ করার দক্ষতার জন্য যেসব অনুশীলন আছে যেমন-মালাগাঁথা, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে টিপ পরা ইত্যাদি নানাবিধ কার্যক্রম এই ধরনের শিশুদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অটিজম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা:

১. অটিজম একটি আচরণগত/ আবেগ অনুভূতিগত/ মানসিক স্বাস্থ্যঘটিত ডিজঅর্ডার। এখানে শারীরিক কোন সমস্যা সম্পৃক্ত নয়।
অটিজমের সঙ্গে বিকাশগত অক্ষমতা ও নিউরো-বায়োলজিক্যাল ডিজঅর্ডার জড়িত। জন্মের তিন বছরের মধ্যেই এটা প্রকাশ পায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি আজীবন এই অক্ষমতার সমস্যায় ভোগে।

২. শিশু বয়সে নেয়া টিকা অটিজমের জন্য দায়ী
অনেকের ধারনা মাম্পস-মিসেলস-রুবেলা (গগজ) ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধকের ব্যবহারে অটিজম হয়। কিন্তু এটি নিছকই ভুল ধারণা। এ নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে, কিন্তু কোন যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তাই ভয় পেয়ে এই ভ্যাকসিন ব্যবহার থেকে বিরত না থেকে বরং বাচ্চাকে ভ্যাকসিন দিলে সে এই রোগগুলো থেকে নিরাপদ থাকবে।

৩. পিতামাতার দুর্বল অভিভাবকত্ব সন্তানের অটিজমের জন্য দায়ী।
জন্ম পরবর্তীকালের কোন জটিলতা কিংবা শিশুর প্রতি অমনোযোগিতার ফলে এই রোগের সৃষ্টি হয় না। কাজেই কোন বাবা মা ও আত্মীয়-স্বজন নিজেদের দোষী ভাবা অথবা বাবা-মাকে দায়ী করার কোন যৌক্তিকতা নেই।

৪. অটিস্টিকদের সবার সমস্যাই একরকম।
আক্রান্ত ব্যক্তিদের লক্ষণ ও উপসর্গের মাত্রা বিচিত্র। একজনের সঙ্গে আরেকজনের হুবহু মিল নেই। যেমন কারও আচরণ অ্যাগ্রেসিভ আবার কেউ অতিরিক্ত গুটিয়ে-থাকা স্বভাবের।

৫. এটা একটা সাময়িক সমস্যা; বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেরে যাবে। কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার দরকার নেই।
অটিস্টিক শিশু কখনোই পুরোপুরি সেরে উঠবে না। তারপরও, মৃদু মাত্রার অটিজম, যেমন অ্যাসপারগার সিনড্রোমের ক্ষেত্রে যথাযথ সহযোগিতা, সমর্থন ও শিক্ষা পেলে পরিণত বয়সে আত্মনির্ভরতা অর্জন করা সম্ভব। বাকীদের বেলায়, উচ্চমাত্রার অটিজমের ক্ষেত্রে পরিণত বয়সেও অন্যের সাহায্য ছাড়া কখনোই স্বনির্ভর দৈনন্দিন জীবনযাপন সম্ভব নয়।

৬. অটিজম নিরাময়যোগ্য, চিকিৎসা করালে অটিস্টিক ব্যক্তি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং অতি নিবিড় ইনটারভেনশন ও থেরাপির মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্যতার এই প্রচারণার সঙ্গে চিকিৎসক-গবেষকরা এখনও একমত হননি।

৭. অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সবারই কোন কিছু শিখতে সমস্যা হয়।
অটিজমে আক্রান্তদের মধ্যে কারো কারো শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যা থাকে। কিন্তু কেউ কেউ, বিশেষত অ্যাসপারগার সিনড্রোম আক্রান্তদের অনেকেই, গণিতের মতো বিষয়ে মূলধারার শিশুদের মতোই দক্ষতা অর্জন করতে পারে। (স্মর্তব্য: অটিস্টিকদের ২০-৩০% অ্যাসপারগার সিন্ড্রোমে ভোগে)।

৮. অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুপ্ত প্রতিভার অধিকারী।
আইনস্টাইনের অটিজম থাকার প্রসঙ্গ অনেকেই জানেন এবং প্রাসঙ্গিক আলোচনায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে ভালবাসেন। বাস্তবতা হলো আমেরিকায় শিশুদের প্রতি ১৫০ জনে একজন এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১৬০ জনে একজন শিশু অটিজমে আক্রান্ত। যাদের অধিকাংশই ম্যাথ-জিনিয়াস হওয়া দূরে থাক, খুব সাধারণ দৈনন্দিন কাজকর্মেও অন্যের উপর নির্ভরশীল।

৯. অটিজম থাকলে অন্য কোন ধরণের ডিজঅর্ডার থাকেনা।
অটিস্টিকদের ক্ষেত্রে ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসি, অন্ধত্ব, বধিরতা, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা কিংবা অন্য কোন শারীরিক সমস্যা থাকার ঘটনা অস্বাভাবিক তো নয়ই; বরং সাধারণ।

১০. একই পরিবারে অটিজম থাকার ঘটনা একবারের বেশী ঘটেনা।
অটিজম কেন হয়, তার সুস্পষ্ট কারণ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে জেনেটিক প্রভাব এ রোগের ওপর আছে। সাধারণ যেকোনো শিশুর চেয়ে যাদের ভাই বা বোনের অটিজম আছে, তাদের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ গুণ বেশি। ধারণা করা হয়, ক্রোমোজোম নম্বর 7q-এর অস্বাভাবিকতার সঙ্গে অটিজমের সম্পর্ক আছে।

অটিজম কি পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব? চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন?

অতি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে অটিজম পুরোপুরি নিরাময় করা আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। কিন্তু সঠিক টেস্ট, চিকিৎসা, থেরাপি এবং কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে শিশুদের ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ জীবন আচরণ স্বাভাবিক গন্ডির মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব। বর্তমানে দেশের অনেক শিশুই অটিস্টিক হওয়া সত্তেও স্বাভাবিক জীবনের সাথে মানিয়ে চলতে সক্ষম হচ্ছে। এই জন্য আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে নিউরোজেন। আমাদের আছে দেশের সেরা থেরাপিস্ট, জেনেটিক এক্সপার্ট এবং কাউন্সিলর। তারা আপনার শিশুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *