টিউবারকিউলোসিস বা যক্ষা একটি সংক্রামক রোগ। যক্ষায় সংক্রমিত প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের সক্রিয় যক্ষা হতে পারে। যক্ষায় মানুষের কিডনি, মেরুদন্ড অথবা মস্তিষ্কও আক্রান্ত হতে পারে।

যক্ষা কি

যক্ষা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা প্রাথমিকভাবে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে।

যক্ষা রোগের জীবাণু কিভাবে ছড়ায়

বাতাসের মাধ্যমে যক্ষা রোগের জীবাণু ছড়ায়। যক্ষা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে রোগের জীবাণু  বাতাসে গিয়ে মিশে এবং রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

যক্ষা হয়েছে কি করে বুঝবেন

যক্ষার লক্ষণ ও উপসর্গগুলো হলো :

সাধারণ লক্ষণ

অন্যান্য লক্ষণ

যক্ষার সংক্রমণ (TB Infection) এবং সক্রিয় যক্ষা(Active TB)

শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে যক্ষার জীবাণু প্রবেশ করলে নিচের যে কোনটি হতে পারে :

এইডস এবং যক্ষা (AIDS and TB)

এইচআইভি (এইডস) এর সংক্রমণের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে যক্ষার জীবাণুকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে এইচআইভি সংক্রমিত লোকদের মধ্যে সক্রিয় যক্ষা হবার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। এমনকি এইডস এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হলো যক্ষা।

ঔষধ প্রতিরোধক যক্ষা (Drug Resistant TB)

যখন কোন এ্যান্টিবায়োটিক যক্ষা রোগের সকল জীবাণু ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয় তখনই ঔষধ প্রতিরোধক যক্ষার সূত্রপাত হয়।

ঔষধ প্রতিরোধক যক্ষার মূল কারণগুলো হলো :

কখন ডাক্তার দেখাবেন

যক্ষার লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

 কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে

সাধারণ পরীক্ষা

অন্যান্য পরীক্ষা

পরীক্ষার ফল নেতিবাচক হলেও অনেক সময় যক্ষার সংক্রমণ হতে পারে। যেমন :

কি ধরণের চিকিৎসা আছে

ডটস পদ্ধতিতে অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদী, সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যক্ষা রোগের চিকিৎসা করা হয়। এজন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগের ধরণ, মাত্রা এবং রুগীর বয়স অনুসারে ঔষধের কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে। যক্ষার চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:

যক্ষা রোগ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়

যক্ষা কেন হয় ?

মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক এক ধরণের জীবাণুর সংক্রমণের মাধ্যমে যক্ষা হয়।

যক্ষা কয় ধরনের হয়ে থাকে?

যক্ষা দুই ধরণের হয় :

কাদের যক্ষা হবার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে ?

যাদের যক্ষা হবার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে তারা হলেন-

যক্ষার কারণে কি ধরণের জটিলতা দেখা দিতে পারে ?

যক্ষার কারণে নিচের জটিলতাগুলো দেখা দিতে পারে যেমন :

এ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে কি ধরণের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে?

এ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে নিম্নের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া গুলো দেখা দিতে পারে:

এ্যান্টিবায়োটিক সেবন করলে যদি উপরোক্ত লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

যক্ষা রোগ কি ভাল হয়?

নিয়মিত, সঠিকমাত্রায় ও পূর্ণ মেয়াদের চিকিৎসায় যক্ষা রোগ ভাল হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *