টাইফয়েড একটি সংক্রামক রোগ। শিশু বৃদ্ধ সবারই এই রোগ হতে পারে। বিশেষ ধরণের জীবাণুর মধ্যে এই রোগ ছড়ায়।

টাইফয়েড জ্বর কি

টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা জীবাণু দিয়ে হয়ে থাকে। সাধারণত দূষিত খাবার এবং পানির মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলেও এ রোগ হতে পারে। এই রোগের কারণে তীব্র জ্বর, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া হয়।

টাইফয়েড জ্বর হয়েছে কি করে বুঝবেন

টাইফয়েডে আক্রান্ত শিশুরা হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে এর লক্ষণ ও উপসর্গগুলো সাধারাণত রোগে আক্রান্ত হবার এক থেকে তিন সপ্তাহ পর দেখা দেয়।

সাধারণত: টাইফয়েড জ্বরের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো হলো:

এছাড়া ক্রমে অন্যান্য যে লক্ষণ গুলো সাধারণত দেখা দেয় সেগুলো হলো:

কখন ডাক্তার দেখাবেন

কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে

কি ধরণের চিকিৎসা আছে

পথ্য

টাইফয়েড জ্বর কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়

টাইফয়েড জ্বর কেন হয় ?

সালমোনেলা টাইফি ব্যকটেরিয়া (Salmonella typhi Bacteria) নামক বিশেষ এক ধরণের জীবাণু দ্ধারা সংক্রমণের মাধ্যমে টাইফয়েড হয়।

কাদের টাইফয়েড জ্বর হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে ?

যাদের টাইফয়েড জ্বর হবার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে তারা হলেন-

টাইফয়েড জ্বর হলে কি ধরণের জটিলতা দেখা দিতে পারে ?

টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে নিচের জটিলতাগুলো দেখা দিতে পারে:

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *