গলার ব্যথা একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অসুস্থ হবার পূর্ব লক্ষন হিসেব গলা ব্যথা করে।

গলা ব্যথা কি

গলা ব্যথার অপর নাম হলো ফ্যারিঞ্জাইটিস (Pharyngitis)। সাধারণত ঠান্ডা এবং ফ্লু (ইনফ্লুয়েঞ্জা) এর মত জীবাণুর সংক্রমণের মাধ্যমে গলার এই সমস্যা হয়। গলা ব্যথার ক্ষেত্রে গলায় শুষ্ক চুলকানি হয় এবং খাবার গিলতে  ও ঢোক গিলতে সমস্যা হয়।

গলা ব্যথার লক্ষণ ও উপসর্গ

গলা ব্যথা হলে সাধারণত: যেসব লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়:

গলা ব্যথা মারাত্মক আকার ধারণ করলে, টনসিল ফুলে যায়। এক্ষেত্রে সাধারণত: নিচের উপসর্গগুলো দেখা যায় :

কখন ডাক্তার দেখাবেন

উপরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে

কি ধরণের চিকিৎসা আছে

বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই গলা ব্যথা সাধারণত এক সপ্তাহ অথবা কিছুদিন পর এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। রোগের ধরণ, মাত্রা ও রুগীর বয়স অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ ও নির্দেশা অনুসারে ঔষধ সেবন করতে হবে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:

জীবন-যাপন পদ্ধতি

কিভাবে গলা ব্যথা প্রতিরোধ করা যায়

গলা ব্যথা কেন হয় ?

গলা ব্যথার জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী। কারণ গুলো হলো:

ভাইরাসজনিত অসু্‌স্থ্যতা যা গলা ব্যথার সাধারণ কারণ সেগুলো হলো :

অন্যান্য ভাইরাসজনিত অসু্স্থ্যতা যেমন-

ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের ফলে গলা ব্যথা যেমন-

অন্যান্য কারণ

কাদের গলায় ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেশি ?

যাদের গলায় ব্যথা হওয়ার  সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তারা হলেন :

গলা ব্যথা থেকে কি ধরণের জটিলতা দেখা দিতে পারে ?

গলা ব্যথার ফলে অনেক মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন:

ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের কারণে গলা ব্যথার ফলে সাধারণত: নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়-

গলা ব্যথা সমস্যার  সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গগুলো হলো:

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *